ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে | Driving License Fee

driving licence cost in BD

বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি কত? লার্নার, পেশাদার ও অপেশাদার লাইসেন্স ফির তালিকা ২০২৬

বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি বিভিন্ন প্রকার এবং ক্যাটাগরির উপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। সাধারণত, লার্নার বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্স এবং স্মার্ট কার্ড লাইসেন্সের জন্য আলাদা ফি ধার্য করা হয়। এছাড়াও পেশাদার এবং অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদের ওপর ভিত্তি করেও ফি আলাদা হয়। আজকের আর্টিকেলে আমরা বিআরটিএ (BRTA) নির্ধারিত সর্বশেষ ফি সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।

লার্নার (শিক্ষানবিশ) ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার প্রথম ধাপ হলো লার্নার লাইসেন্স। আপনি কয়টি ক্যাটাগরিতে আবেদন করছেন তার ওপর ভিত্তি করে ফি নিচে দেওয়া হলো:

১. এক ক্যাটাগরি: আপনি যদি শুধু মোটরসাইকেল বা শুধু হালকা মোটরযানের জন্য আবেদন করেন, তবে ফি হবে ৩৪৪/- টাকা
২. দুই ক্যাটাগরি: যদি মোটরসাইকেল এবং হালকা মোটরযান অর্থাৎ কার ও বাইক একসাথে আবেদন করেন, তবে ফি হবে ৫১৮/- টাকা

পেশাদার ও অপেশাদার লাইসেন্স ফি (স্মার্ট কার্ড)

লার্নার পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর স্মার্ট কার্ড লাইসেন্সের জন্য নির্দিষ্ট ফি জমা দিতে হয়। পেশাদার এবং অপেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে মেয়াদের পার্থক্যের কারণে ফি ভিন্ন হয়:

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি: ৫ বছরের নবায়ন ফিসহ এর মূল ফি সাধারণত ১৬৮০/- টাকা। তবে ভ্যাট ও অন্যান্য চার্জসহ মোট হিসাব নিচে দেওয়া হয়েছে।
অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি: ১০ বছরের নবায়ন ফিসহ অপেশাদার লাইসেন্সের ফি ২৫৪২/- টাকা

অন্যান্য আনুষঙ্গিক ফি এবং ভ্যাট

লাইসেন্সের মূল ফির সাথে আরও কিছু সরকারি চার্জ যুক্ত হয় যা সবার জন্য প্রযোজ্য:

  • স্মার্ট কার্ড কার্ড ফি: ৬১০ টাকা
  • ডেলিভারি ফি: ৬০ টাকা
  • ভ্যাট (VAT): ৫৪২ টাকা

মোট কত টাকা খরচ হবে?

সব চার্জ যোগ করলে একজন আবেদনকারীকে মোট যে পরিমাণ টাকা জমা দিতে হতে পারে তার একটি ধারণা নিচে দেওয়া হলো:

পেশাদার লাইসেন্স (মোট): ৩০০০ (মূল ফি ও নবায়ন) + ৬১০ (কার্ড ফি) + ৫৪২ (ভ্যাট) + ৬০ (ডেলিভারি ফি) = ৪২১২ টাকা
অপেশাদার লাইসেন্স (মোট): অপেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ১০ বছরের মেয়াদে মোট ফি হবে ২৫৪২/- টাকা (সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এটি পরিবর্তন হতে পারে)।

উল্লেখ্য যে, পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে যানবাহনের ওজনের (হালকা, মধ্যম বা ভারী) ওপর ভিত্তি করে ফির পরিমাণ কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

আমার শেষ কথা

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার আগে সঠিক ফি সম্পর্কে জানা থাকলে আপনি দালালের খপ্পর থেকে বাঁচতে পারবেন। বর্তমানে বিআরটিএ-এর অধিকাংশ ফি অনলাইনে বিকাশ বা অন্যান্য গেটওয়ের মাধ্যমে ঘরে বসেই জমা দেওয়া যায়। আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনি সরাসরি বিআরটিএ (BRTA) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সার্ভিস পোর্টালে ভিজিট করতে পারেন।

বিআরটিএ ও লাইসেন্স সংক্রান্ত যে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের কমেন্ট করে জানান। টেকনিক্যাল সব আপডেট পেতে ভিজিট করুন TechSohag.Com। ধন্যবাদ!
Visit TechSohag.Com
Previous Post Next Post

Contact Form