OTG কী? মোবাইলে OTG ব্যবহার করে আপনি যা যা করতে পারবেন
১. পেনড্রাইভ বা হার্ডড্রাইভ কানেক্ট করা
ওটিজি-র সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবহার হলো পেনড্রাইভ ব্যবহার করা। আপনার ফোনের স্টোরেজ ফুল হয়ে গেলে আপনি সরাসরি ওটিজি ক্যাবল বা অ্যাডাপ্টার দিয়ে পেনড্রাইভ কানেক্ট করে ফাইল ট্রান্সফার করতে পারেন। এমনকি আপনি পেনড্রাইভ থেকে সরাসরি মুভি বা গান ফোনে দেখতে পারবেন কোনো ঝামেলা ছাড়াই।
২. মাউস এবং কীবোর্ড ব্যবহার করা
আপনার ফোনের ডিসপ্লে বা টাচ যদি নষ্ট হয়ে যায়, তবে ওটিজি দিয়ে মাউস কানেক্ট করে আপনি ফোনটি অনায়াসেই চালাতে পারবেন। এছাড়া যারা ফোনে অনেক বেশি টাইপিং করেন, তারা ওটিজি ক্যাবলের মাধ্যমে একটি ফুল সাইজ কীবোর্ড কানেক্ট করে দ্রুত টাইপ করতে পারেন। আমি যখন ব্লগের বড় কোনো আর্টিকেল ফোনে লিখি, তখন কীবোর্ড ব্যবহার করাটা আমার কাছে অনেক সহজ মনে হয়।
৩. গেমিং কন্ট্রোলার দিয়ে গেম খেলা
৪. ডিজিটাল ক্যামেরা ও প্রিন্টার সংযোগ
ডিজিটাল ক্যামেরা থেকে ছবি সরাসরি ফোনে নিতে চাইলে ওটিজি ক্যাবল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া আপনার ফোন থেকে কোনো ডকুমেন্ট সরাসরি প্রিন্ট করতে চাইলে প্রিন্টারের ইউএসবি ক্যাবলটি ওটিজি দিয়ে ফোনে লাগিয়ে কমান্ড দিতে পারেন। এটি আপনার সময় এবং শ্রম দুটোই বাঁচাবে।
৫. অন্য ফোন চার্জ করা
এটি ওটিজি-র একটি মজার ব্যবহার! আপনি চাইলে ওটিজি ক্যাবল ব্যবহার করে এক ফোন থেকে অন্য ফোনে চার্জ দিতে পারেন। যদি আপনার বন্ধুর ফোনের চার্জ শেষ হয়ে যায় এবং আপনার কাছে পাওয়ার ব্যাংক না থাকে, তবে ওটিজি ক্যাবল দিয়ে আপনার ফোন থেকেই তাকে কিছুটা পাওয়ার শেয়ার করতে পারেন।
আমার শেষ কথা
ওটিজি প্রযুক্তি আমাদের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। মাত্র ২০-৫০ টাকার একটি ওটিজি ক্যাবল আপনার ফোনের কার্যক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে ওটিজি ব্যবহারের আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার ফোনটি ওটিজি সাপোর্ট করে কি না। টেক দুনিয়ার এমন আরও স্মার্ট সমাধান এবং টিপস পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন TechSohag.com। ধন্যবাদ!
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং মোবাইল হার্ডওয়্যার টিপস পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
