ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর | Driving License All Question Bangla

ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর pdf
TechSohag.Com
driving licence retain exam questions

ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ২০০টি প্রশ্ন ও উত্তর

আপনি কি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চাচ্ছেন? বিআরটিএ (BRTA) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য লিখিত অংশে ভালো করা অত্যন্ত জরুরি। আপনার সুবিধার্থে এখানে স্ট্যান্ডার্ড ২০০টি প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো, যা আপনাকে পরীক্ষায় পাশ করতে সাহায্য করবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন ব্যাংক

০১. প্রশ্ন : মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ মোটরযান আইনে মোটরযান অর্থ: কোনো যন্ত্রচালিত যান, যাহার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোনো উৎস হতে সরবরাহ হয়ে থাকে।
০২. প্রশ্ন : গাড়ি চালনার আগে করণীয় কাজ কী কী?
উত্তরঃ ক. গাড়ির হালনাগাদ বৈধ কাগজপত্র (রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ট্যাক্সটোকেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, বিমা, রুট পারমিট) সাথে রাখা। খ. জ্বালানি পরীক্ষা করা। গ. রেডিয়েটর ও ব্যাটারিতে পানি দেখা। ঘ. ব্যাটারি কানেকশন চেক করা। ঙ. লুব অয়েলের লেভেল দেখা। চ. ব্রেক ফ্লুইড পরীক্ষা করা। ছ. ইঞ্জিন ও লাইটিং সিস্টেম চেক করা। জ. ব্রেক ও ক্লাচ পরীক্ষা করা। ঝ. অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও ফাস্টএইড বক্স রাখা। ঞ. চাকা ও বাতির অবস্থা পরীক্ষা করা।
০৩. প্রশ্ন : মোটরযানের মেইনটেনেন্স বা রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ ত্রুটিমুক্ত অবস্থায় একটি গাড়ি হতে দীর্ঘদিন সার্ভিস পাওয়ার জন্য প্রতিদিন গাড়িতে যে-সমস্ত মেরামত কাজ করা হয়, তাকে মেইনটেনেন্স বলে।
০৪. প্রশ্ন : একটি মোটরযানে প্রতিদিন কী কী মেইনটেনেন্স করতে হয়?
উত্তরঃ ২ নং প্রশ্নের উত্তরের খ থেকে ঞ পর্যন্ত।
০৫. প্রশ্ন : সার্ভিসিং বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ মোটরযানের ইঞ্জিন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর যে-কাজগুলো করা হয়, তাকে সার্ভিসিং বলে।
০৬. প্রশ্ন : গাড়ি সার্ভিসিংয়ে কী কী কাজ করা হয়?
উত্তরঃ ক. পুরাতন লুবঅয়েল বদলে নতুন দেওয়া। খ. রেডিয়েটর পরিষ্কার করা। গ. গ্রিজিং করা। ঘ. চাকায় হাওয়া দেওয়া। ঙ. ফিল্টারসমূহ পরিবর্তন করা।
০৭. প্রশ্ন : গাড়ি চালনাকালে কী কী কাগজপত্র গাড়ির সঙ্গে রাখতে হয়?
উত্তরঃ ক. ড্রাইভিং লাইসেন্স, খ. রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, গ. ট্যাক্সটোকেন, ঘ. ইনসিওরেন্স সার্টিফিকেট, ঙ. ফিটনেস সার্টিফিকেট (বাইক বাদে) এবং চ. রুটপারমিট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
০৮. প্রশ্ন : রাস্তায় গাড়ির কাগজপত্র কে কে চেক করতে পারেন?
উত্তরঃ সার্জেন্ট বা সাব-ইনসপেক্টরের নিচে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তা, বিআরটিএ-র কর্মকর্তা এবং মোবাইলকোর্টের কর্মকর্তা।
০৯. প্রশ্ন : মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কী?
উত্তরঃ মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত মাত্র ১ জন আরোহী বহন করা যাবে এবং উভয়কেই হেলমেট পরিধান করতে হবে।
১০. প্রশ্ন : সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ কী কী?
উত্তরঃ ক. অত্যধিক আত্মবিশ্বাস, খ. মাত্রাতিরিক্ত গতি, গ. অননুমোদিত ওভারটেকিং এবং ঘ. অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন।
১১. প্রশ্ন : গাড়ি দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালকের করনীয় কী?
উত্তরঃ আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটবর্তী থানায় রিপোর্ট করা।
১২. প্রশ্ন : আইন অনুযায়ী গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা কত?
উত্তরঃ হালকা যানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় ৭০ মাইল, মাঝারি/ভারী যাত্রীবাহী যানের ক্ষেত্রে ৩৫ মাইল এবং মালবাহী যানের ক্ষেত্রে ৩০ মাইল।
১৩. প্রশ্ন : মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কী?
উত্তরঃ সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ দলিলই মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স।
১৪. প্রশ্নঃ অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে?
উত্তরঃ যে-লাইসেন্স দিয়ে চালক কারো বেতনভোগী কর্মচারী না হয়ে ব্যক্তিগত যান চালাতে পারে।
১৫. প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স কত?
উত্তরঃ পেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ২০ বছর এবং অপেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ১৮ বছর।
১৬. প্রশ্ন : কোন কোন ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য?
উত্তরঃ মৃগীরোগী, উন্মাদ, রাতকানা, কুষ্ঠরোগী, হৃদরোগী, অতিরিক্ত মদ্যপ এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা ব্যক্তি।
১৭. প্রশ্ন : হালকা মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ যার রেজিস্ট্রিকৃত ওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির বেশি নয়।
১৮. প্রশ্ন : মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ যার ওজন ৬,০০০ পাউন্ডের বেশি কিন্তু ১৪,৫০০ পাউন্ডের (৬,৫৯০ কেজি) কম।
১৯. প্রশ্ন : ভারী মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ যার রেজিস্ট্রিকৃত ওজন ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির বেশি।
২০. প্রশ্ন : প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ ড্রাইভার ব্যতীত ৮ জনের বেশি যাত্রী বহনের উপযোগী যান যা মালিকের ব্যবসায়িক কাজে বিনা ভাড়ায় ব্যবহৃত হয়।

ট্রাফিক সাইন ও সিগন্যাল

২১. প্র্রশ্নঃ ট্রাফিক সাইন প্রধানত কত প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ ৩ প্রকার: ক. বাধ্যতামূলক (বৃত্তাকার), খ. সতর্কতামূলক (ত্রিভুজাকৃতি) এবং গ. তথ্যমূলক (আয়তক্ষেত্রাকার)।
২২. প্রশ্ন : লাল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা দেয়?
উত্তরঃ নিষেধ বা করা যাবে না।
২৩. প্রশ্ন : নীল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা দেয়?
উত্তরঃ অবশ্যই করতে হবে বা পালনীয়।
২৪. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজাকৃতির সাইন কী নির্দেশনা দেয়?
উত্তরঃ সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা।
২৫. প্রশ্ন : নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তরঃ সাধারণ তথ্যমূলক সাইন।
২৬. প্রশ্ন : সবুজ রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তরঃ পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন (মহাসড়কের জন্য)।
২৭. প্রশ্ন : কালো বর্ডারের সাদা আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তরঃ সাধারণ সড়কের পথনির্দেশক সাইন।
২৮. প্রশ্ন : ট্রাফিক সিগন্যাল কত প্রকার?
উত্তরঃ ৩ প্রকার: বাহুর সংকেত, আলোর সংকেত ও শব্দ সংকেত।
২৯. প্রশ্ন : ট্রাফিক লাইট সিগন্যালের অনুক্রম কী?
উত্তরঃ লাল-সবুজ-হলুদ এবং পুনরায় লাল।
৩০. প্রশ্ন : লাল, সবুজ ও হলুদ বাতি কী বুঝায়?
উত্তরঃ লাল মানে থামুন, সবুজ মানে চলুন এবং হলুদ মানে থামানোর প্রস্তুতি নিন।
৩১. প্রশ্নঃ নিরাপদ দূরত্ব বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ সংঘর্ষ এড়াতে সামনের গাড়ি থেকে যে পরিমাণ দূরত্ব বজায় রাখা হয়।
৩২. প্রশ্ন : ৫০ কিমি গতিতে নিরাপদ দূরত্ব কত?
উত্তরঃ ২৫ মিটার।
৩৩. প্রশ্ন : ৫০ মাইল গতিতে নিরাপদ দূরত্ব কত?
উত্তরঃ ১৫০ ফুট বা ৫০ গজ।
৩৪. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বুঝায়?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কিমি।
৩৫. প্রশ্ন : নীল বৃত্তে ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বুঝায়?
উত্তরঃ সর্বনিম্ন গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কিমি।
৩৬. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের মধ্যে হর্ন আঁকা থাকলে কী বুঝায়?
উত্তরঃ হর্ন বাজানো নিষেধ।
৩৭. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতর বড় বাসের ছবি থাকলে কী বুঝায়?
উত্তরঃ বড় বাস প্রবেশ নিষেধ।
৩৮. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে চলমান মানুষের ছবি থাকলে কী বুঝায়?
উত্তরঃ পথচারী পারাপার নিষেধ।
৩৯. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজে চলমান মানুষের ছবি থাকলে কী বুঝায়?
উত্তরঃ সামনে পথচারী পারাপার, সাবধান হোন।
৪০. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতর একটি লাল ও কালো গাড়ি থাকলে কী বুঝায়?
উত্তরঃ ওভারটেকিং নিষেধ।
৪১. প্রশ্ন : আয়তক্ষেত্রে ‘P’ বা ‘চ’ লেখা থাকলে কী বুঝায়?
উত্তরঃ পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান।
৪২. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে হর্ন বাজানো নিষেধ?
উত্তরঃ নীরব এলাকা (হাসপাতাল, স্কুল, আদালতের ১০০ মিটারের মধ্যে)।
৪৩. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে ওভারটেক করা নিষেধ?
উত্তরঃ জাংশন, ব্রিজ, সরু রাস্তা ও নিষেধ করা সাইন আছে এমন স্থানে।
৪৪. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে গাড়ি পার্ক করা নিষেধ?
উত্তরঃ ব্রিজ, সরু রাস্তা, পাহাড়ের ঢাল, জেব্রা ক্রসিং ও বাস স্টপেজের আশেপাশে।
৪৫. প্রশ্ন : গাড়ি রাস্তার কোনপাশ দিয়ে চলবে?
উত্তরঃ বামপাশ দিয়ে।
৪৬. প্রশ্ন : কখন বামদিক দিয়ে ওভারটেক করা যায়?
উত্তরঃ সামনের গাড়ি ডানে মোড় নেওয়ার জন্য সংকেত দিলে বাম দিয়ে যাওয়া যায়।
৪৭. প্রশ্ন : সামনের গাড়ি অনুসরণের সময় কী কী লক্ষ্য রাখা উচিত?
উত্তরঃ গতি, থামার সংকেত, মোড় নেওয়ার সংকেত ও নিরাপদ দূরত্ব।
৪৮. প্রশ্ন : “স্কুল/শিশু” সাইন বোর্ড থাকলে করণীয় কী?
উত্তরঃ গতি কমিয়ে সতর্ক হওয়া এবং শিশুদের অগ্রাধিকার দেওয়া।
৪৯. প্রশ্ন : গতি কমানোর জন্য হাত দিয়ে সংকেত কীভাবে দিবেন?
উত্তরঃ ডানহাত জানালা দিয়ে বের করে ধীরে ধীরে উপরে-নীচে উঠানামা করানো।
৫০. প্রশ্ন : লেভেলক্রসিং কত প্রকার?
উত্তরঃ ২ প্রকার: রক্ষিত (পাহারাদারসহ) ও অরক্ষিত (পাহারাদারবিহীন)।
৫১. প্রশ্নঃ রক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী?
উত্তরঃ গেট খোলা থাকলে ডানেবামে দেখে পার হওয়া।
৫২. প্রশ্নঃ অরক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী?
উত্তরঃ গাড়ি থামিয়ে ডানেবামে ট্রেন দেখে নিরাপদ মনে হলে পার হওয়া।
৫৩. প্রশ্ন : বিমানবন্দরের কাছে কেন সতর্ক থাকতে হবে?
উত্তরঃ বিমানের প্রচণ্ড শব্দে চালক বিচলিত হতে পারেন এবং ভিআইপি মুভমেন্ট বেশি থাকে।
৫৪. প্রশ্নঃ হেলমেট কেন ব্যবহার করা উচিত?
উত্তরঃ দুর্ঘটনায় মাথাকে রক্ষা করার জন্য।
৫৫. প্রশ্ন : লুকিং গ্লাস কতক্ষণ পর পর দেখা উচিত?
উত্তরঃ প্রতি মিনিটে ৬ থেকে ৮ বার।
৫৬. প্রশ্নঃ পাহাড়ি রাস্তায় কী কী সতর্কতা লাগে?
উত্তরঃ ১ নং গিয়ারে চলা এবং ওভারটেকিং না করা।
৫৭. প্রশ্নঃ বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালনার সতর্কতা কী?
উত্তরঃ সাধারণ গতির চেয়ে অর্ধেক গতিতে চালানো।
৫৮. প্রশ্ন : ব্রিজে ওঠার পূর্বে করণীয় কী?
উত্তরঃ গতি কমানো এবং ওভারটেকিং না করা।
৫৯. প্রশ্ন : প্রধান রাস্তায় প্রবেশের আগে সতর্কতা কী?
উত্তরঃ গতি কমিয়ে প্রধান রাস্তার গাড়িকে আগে যেতে দেওয়া।
৬০. প্রশ্ন : রোডমার্কিং কত ধরনের হয়?
উত্তরঃ ৩ ধরনের: ভাঙা লাইন, একক অখণ্ড লাইন ও দ্বৈত অখণ্ড লাইন।
৬১. প্রশ্ন : জেব্রাক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী?
উত্তরঃ পথচারীদের আগে যেতে দেওয়া।
৬২. প্রশ্ন : কোন কোন গাড়িকে ওভারটেক করার সুযোগ দিতে হবে?
উত্তরঃ এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও ভিভিআইপি গাড়িকে।
৬৩. প্রশ্ন : আপার-ডিপার ব্যবহারের নিয়ম কী?
উত্তরঃ বিপরীত গাড়ি আসলে হাইবিম নিভিয়ে লো-বিম জ্বালানো।
৬৪. প্রশ্ন : ব্রেক ফেল করলে করণীয় কী?
উত্তরঃ এক্সিলারেটর ছেড়ে গিয়ার কমিয়ে (ইঞ্জিন ব্রেকিং) গাড়ি থামানোর চেষ্টা করা।
৬৫. প্রশ্ন : চাকা ফেটে গেলে করণীয় কী?
উত্তরঃ স্টিয়ারিং শক্ত করে ধরা এবং হঠাৎ ব্রেক না করে আস্তে গতি কমানো।
৬৬. প্রশ্ন : হ্যাজার্ড বাতি কী?
উত্তরঃ চারদিকের ইন্ডিকেটর একসাথে জ্বলা, যা বিপদ সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৬৭. প্রশ্ন : ড্যাশবোর্ডে কী কী ইন্সট্রুমেন্ট থাকে?
উত্তরঃ স্পিডোমিটার, ওডোমিটার, ট্রিপমিটার, টেম্পারেচার গেজ ও ফুয়েল গেজ।
৬৮. প্রশ্ন : গাড়িতে কী কী লাইট থাকে?
উত্তরঃ হেডলাইট, পার্কলাইট, ব্রেকলাইট, রিভার্সলাইট, ইন্ডিকেটর ও ফগলাইট।
৬৯. প্রশ্ন : ঢালু রাস্তায় কোন গিয়ারে চালাতে হয়?
উত্তরঃ ফার্স্ট গিয়ারে।
৭০. প্রশ্ন : গাড়িতে “L” বা “খ” লেখা থাকলে কী বুঝায়?
উত্তরঃ এটি লার্নার বা শিক্ষানবিশ চালকের গাড়ি।

শাস্তি ও জরিমানা (আইন)

৭১. প্রশ্ন : শিক্ষানবিশ লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালানো বৈধ কী?
উত্তরঃ ইনস্ট্রাক্টরের উপস্থিতিতে নির্ধারিত এলাকায় চালানো বৈধ।
৭২. প্রশ্ন : ফোরহুইলড্রাইভ (4WD) গাড়ি কী?
উত্তরঃ যার চারটি চাকায় পাওয়ার সরবরাহ করা হয়।
৭৩. প্রশ্ন : ফোরহুইলড্রাইভ কখন লাগে?
উত্তরঃ পিচ্ছিল বা কর্দমাক্ত রাস্তায়।
৭৪. প্রশ্ন : টুলবক্স কী?
উত্তরঃ জরুরি মেরামতের যন্ত্রপাতির বাক্স।
৭৫. প্রশ্ন : লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালনার শাস্তি কী?
উত্তরঃ ৪ মাস জেল বা ৫০০ টাকা জরিমানা।
৭৬. প্রশ্ন : নিষিদ্ধ হর্ন ব্যবহারের শাস্তি কী?
উত্তরঃ ১০০ টাকা জরিমানা।
৭৭. প্রশ্ন : রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস ছাড়া চালনার শাস্তি কী?
উত্তরঃ প্রথমবার ৩ মাস জেল বা ২০০০ টাকা জরিমানা।
৭৮. প্রশ্ন : মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালনার শাস্তি কী?
উত্তরঃ ৩ মাস জেল বা ১০০০ টাকা জরিমানা।
৭৯. প্রশ্ন : দ্রুত গতিতে গাড়ি চালনার শাস্তি কী?
উত্তরঃ ৩০ দিন জেল বা ৩০০ টাকা জরিমানা।
৮০. প্রশ্ন : বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালনার শাস্তি কী?
উত্তরঃ ৬ মাস জেল বা ৫০০ টাকা জরিমানা।
৮১. প্রশ্ন : ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত গাড়ি চালনার শাস্তি কী?
উত্তরঃ ২০০ টাকা জরিমানা।
৮২. প্রশ্ন : অতিরিক্ত ওজন বহনের শাস্তি কী?
উত্তরঃ ১,০০০ টাকা জরিমানা (প্রথমবার)।
৮৩. প্রশ্ন : ইনসিওরেন্স বিহীন গাড়ি চালনার শাস্তি কী?
উত্তরঃ ২,০০০ টাকা জরিমানা।
৮৪. প্রশ্ন : প্রকাশ্য সড়কে গাড়ি রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির শাস্তি কী?
উত্তরঃ ৫০০ টাকা জরিমানা।

ইঞ্জিন ও টেকনিক্যাল বিষয়সমূহ

৮৫. প্রশ্ন : ফুয়েল গেজের কাজ কী?
উত্তরঃ জ্বালানির পরিমাণ জানানো।
৮৬) প্রশ্ন : ফুয়েল ও অয়েল বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ ফুয়েল হলো জ্বালানি (পেট্রোল/ডিজেল) আর অয়েল হলো লুব্রিকেন্ট (মবিল)।
৮৭) প্রশ্ন : মবিলের কাজ কী?
উত্তরঃ ঘর্ষণ কমানো, ক্ষয় রোধ করা এবং ইঞ্জিন ঠাণ্ডা রাখা।
৮৮) প্রশ্ন : কম মবিলে ইঞ্জিন চালালে কী হয়?
উত্তরঃ ইঞ্জিন সিজড্ বা জ্যাম হয়ে যেতে পারে।
৮৯) প্রশ্ন : অয়েল কেন বদলানো উচিত?
উত্তরঃ গুণাগুণ নষ্ট হয়ে গেলে।
৯০) প্রশ্ন : মবিল কোথায় দিতে হয়?
উত্তরঃ ট্যাপেট কভারের পোর্টে।
৯১) প্রশ্ন : মবিল চেক করার স্টিককে কী বলে?
উত্তরঃ ডিপস্টিক।
৯২) প্রশ্ন : কখন ক্লাচে চাপ দিতে হয়?
উত্তরঃ গিয়ার বদলানো বা ব্রেক করার সময়।
৯৩) প্রশ্ন : টায়ার প্রেসার কম-বেশি হলে কী হয়?
উত্তরঃ টায়ার অসমভাবে ক্ষয় হয় এবং তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়।
৯৪) প্রশ্ন : টায়ারের প্রেসার কোথায় জানা যায়?
উত্তরঃ প্রস্তুতকারকের হ্যান্ডবুক বা টায়ারের গায়ে।
৯৫) প্রশ্ন : গাড়ি না চালালে টায়ারের যত্ন কী?
উত্তরঃ মাটি থেকে উঁচুতে রাখা বা হাওয়া দেওয়া।
৯৬) প্রশ্ন : টায়ার রোটেশন কী?
উত্তরঃ চাকাসমূহের স্থান পরিবর্তন করে লাগানো।
৯৭) প্রশ্ন : ব্যাটারির কাজ কী?
উত্তরঃ ইঞ্জিন চালু করা এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চালানো।
৯৮) প্রশ্ন : ব্যাটারির কী পরীক্ষা করা উচিত?
উত্তরঃ ডিস্টিল্ড ওয়াটারের লেভেল।
৯৯) প্রশ্ন : ব্যাটারিতে পানি না দিলে কী হয়?
উত্তরঃ প্লেট নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
১০০) প্রশ্ন : ব্যাটারির টার্মিনালে মরিচা দূর করা হয় কেন?
উত্তরঃ ভালো বৈদ্যুতিক সংযোগের জন্য।
১০১) প্রশ্নঃ যানবাহন পরিচালনার দায়িত্ব কোন কোন সংস্থার?
উত্তরঃ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, বিআরটিএ, ট্রাফিক পুলিশ ইত্যাদি।
১০২) প্রশ্নঃ গাড়ীর কাগজপত্র পরির্দশন করার ক্ষমতা কার?
উত্তরঃ পুলিশ (এসআই/সার্জেন্ট), বিআরটিএ কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট।
১০৩) প্রশ্নঃ দুর্ঘটনা এড়াতে কী করা প্রয়োজন?
উত্তরঃ ট্রাফিক আইন জানা ও মানা।
১০৪) প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ষ্টার্ট করে কী চেক করতে হয়?
উত্তরঃ ব্রেকের কার্যক্ষমতা।
১০৫) প্রশ্নঃ নিরাপদ দূরত্বের সাধারণ নিয়ম কী?
উত্তরঃ ২ সেকেন্ডের দূরত্ব বজায় রাখা।
১০৬) প্রশ্নঃ গতি কিসের উপর নির্ভর করে?
উত্তরঃ আবহাওয়া, রাস্তা এবং চালকের দক্ষতার ওপর।
১০৭) প্রশ্নঃ গাড়ি দাঁড় করাতে চালক কোন সংকেত দিবে?
উত্তরঃ হাত ৯০ ডিগ্রি বাঁকিয়ে উপরের দিকে উঠাবে।
১০৮) প্রশ্নঃ ডান দিকের লেন কারা ব্যবহার করবেন?
উত্তরঃ দ্রুতগামী বা ওভারটেক করা গাড়ি।
১০৯) প্রশ্নঃ ডাবল হলুদ লাইনের অর্থ কী?
উত্তরঃ এটি একটি আইল্যান্ড, অতিক্রম করা নিষেধ।
১১০) প্রশ্নঃ অখন্ডিত সাদা লাইনের অর্থ কী?
উত্তরঃ ওভারটেক করা যাবে না।
১১১) প্রশ্নঃ বিভক্ত সাদা লাইনের অর্থ কী?
উত্তরঃ ওভারটেক করা যাবে।
১১২) প্রশ্নঃ কোন কোন গাড়ী ট্রাফিক নিয়ম ভঙ্গ করতে পারেন?
উত্তরঃ এম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও ভিআইপি গাড়ি (জরুরি কাজে)।
১১৩) প্রশ্নঃ সাইরেন কারা ব্যবহার করেন?
উত্তরঃ এম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিস।
১১৪) প্রশ্নঃ জরুরী গাড়ীকে কীভাবে পথ দিবেন?
উত্তরঃ রাস্তার বামে গিয়ে দাঁড়িয়ে।
১১৫) প্রশ্নঃ ইন্টারসেকশন কাকে বলে?
উত্তরঃ রাস্তার মোড় বা মিলনস্থল।
১১৬) প্রশ্নঃ ইন্টারসেকশনে ঢুকার আগে করণীয় কী?
উত্তরঃ গতি কমানো ও সতর্ক হওয়া।
১১৭) প্রশ্নঃ ইন্টারসেকশনে ঢুকার পরে কী করণীয়?
উত্তরঃ দ্রুত ও সতর্কতার সাথে পার হওয়া।
১১৮) প্রশ্নঃ ডান মোড় নেওয়ার সময় লাল বাতি জ্বললে কোথায় দাঁড়াবেন?
উত্তরঃ রাস্তার ডান পার্শ্বে।
১১৯) প্রশ্নঃ সবুজ বাতি জ্বললে কোন গাড়ি আগে যাবে?
উত্তরঃ সোজা যাওয়ার গাড়ি।
১২০) প্রশ্নঃ অরক্ষিত লেভেল ক্রসিং কোথায় থাকে?
উত্তরঃ গ্রাম্য এলাকায়।
১২১) প্রশ্নঃ নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিষেধ কেন?
উত্তরঃ শান্তি বজায় রাখার জন্য (হাসপাতাল, স্কুল)।
১২২) প্রশ্নঃ ওভারটেকিং দুর্ঘটনা এড়ানোর উপায় কী?
উত্তরঃ লুকিং গ্লাসে পিছনের গাড়ি দেখা।
১২৩) প্রশ্নঃ ওভারটেক করার আগে কর্তব্য কী?
উত্তরঃ ইন্ডিকেটর দিয়ে সিগন্যাল দেওয়া।
১২৪) প্রশ্নঃ গাড়ী স্কিডিং কেন হয়?
উত্তরঃ ভিজা বা পিচ্ছিল রাস্তায় দ্রুত ব্রেক করলে।
১২৫) প্রশ্নঃ গাড়ী স্কিডিং করলে চালকের করণীয় কী?
উত্তরঃ এক্সিলারেটর ছেড়ে দেওয়া এবং যেদিকে স্কিড করেছে সেদিকে স্টিয়ারিং ঘুরানো।
১২৬) প্রশ্নঃ শ্বাস কষ্টে থাকা যাত্রীর জন্য কী করবেন?
উত্তরঃ কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়া এবং হাসপাতালে নেওয়া।
১২৭) প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ঠাণ্ডা রাখে কীভাবে?
উত্তরঃ রেডিয়েটরের পানি ও ফ্যান।
১২৮) প্রশ্নঃ গরম রেডিয়েটরে ঠাণ্ডা পানি দিলে কী হয়?
উত্তরঃ ইঞ্জিন ব্লক ফেটে যেতে পারে।
১২৯) প্রশ্নঃ রেডিয়েটরে কয়টি হোজ পাইপ থাকে?
উত্তরঃ ২ টি।
১৩০) প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ষ্টার্ট না হওয়ার কারণ কী?
উত্তরঃ ফুয়েল না থাকা বা ব্যাটারি দুর্বল হওয়া।
১৩১) প্রশ্নঃ স্কিডিং কত প্রকার?
উত্তরঃ ৩ প্রকার (সামনের চাকা, পিছনের চাকা ও ৪ চাকার)।
১৩২) প্রশ্নঃ চলন্ত গাড়ী বন্ধ হওয়ার কারণ কী?
উত্তরঃ তেল শেষ হওয়া বা প্লাগ খারাপ হওয়া।
১৩৩) প্রশ্নঃ শক এবজরভারের কাজ কী?
উত্তরঃ ঝাঁকুনি কমানো।
১৩৪) প্রশ্নঃ গাড়ী বের করার আগে কী কী দেখবেন?
উত্তরঃ তেল, মবিল, পানি ও টায়ারের হাওয়া।
১৩৫) প্রশ্নঃ পেট্রোল ইঞ্জিনে ভেপার লক কী?
উত্তরঃ গরমে তেলের লাইনে বুদবুদ সৃষ্টি হয়ে তেল সরবরাহ বন্ধ হওয়া।
১৩৬) প্রশ্নঃ ডিজেল ইঞ্জিনে এয়ার লক কীভাবে দূর হয়?
উত্তরঃ পাম্প করে বাতাস বের করে দিয়ে।
১৩৭) প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ওভার হলিং কখন লাগে?
উত্তরঃ অত্যাধিক ধোঁয়া ছাড়লে বা মবিল বেশি খরচ হলে।
১৩৮) প্রশ্নঃ ডিজেল ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার কারণ কী?
উত্তরঃ ফুয়েল পাম্প অকেজো হওয়া।
১৩৯) প্রশ্ন: মোটরযান কাকে বলে? (পুনরাবৃত্তি)
উত্তরঃ যন্ত্রচালিত যান।
১৪০) প্রশ্ন : গাড়ী চালনার আগে করণীয়? (বিস্তারিত)
উত্তরঃ কাগজপত্র ও যান্ত্রিক ত্রুটি পরীক্ষা করা।
১৪১) প্রশ্ন: মেইনটেনেন্স কী?
উত্তরঃ নিয়মিত যান্ত্রিক রক্ষণাবেক্ষণ।
১৪২) প্রশ্ন: প্রতিদিনের মেইনটেনেন্স কী কী?
উত্তরঃ তেল-পানি-চাকা পরীক্ষা।
১৪৩) প্রশ্ন: সার্ভিসিং কী?
উত্তরঃ দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পর কাজ।
১৪৪) প্রশ্ন : সার্ভিসিংয়ে কী কী করা হয়?
উত্তরঃ মবিল ফিল্টার ও এয়ার ক্লিনার বদলানো।
১৪৫) প্রশ্ন : গাড়ীর সাথে কী কী কাগজ রাখবেন?
উত্তরঃ লাইসেন্স, ব্লু-বুক, ট্যাক্স টোকেন ইত্যাদি।
১৪৬) প্রশ্ন : কাগজ চেক করার ক্ষমতা কার?
উত্তরঃ বিআরটিএ ও ট্রাফিক পুলিশ।
১৪৭) প্রশ্ন : মোটরসাইকেলে হেলমেট আইন কী?
উত্তরঃ চালক ও আরোহী উভয়ের হেলমেট বাধ্যতামূলক।
১৪৮) প্রশ্ন : সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ?
উত্তরঃ অতিরিক্ত গতি ও অসতর্কতা।
১৪৯) প্রশ্ন : দুর্ঘটনার পর চালকের দায়িত্ব?
উত্তরঃ চিকিৎসাসেবা দেওয়া ও থানায় জানানো।
১৫০) প্রশ্ন : সর্বোচ্চ গতিসীমা?
উত্তরঃ ৭০ মাইল (হালকা যান)।
১৫১) প্রশ্ন : মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কী?
উত্তরঃ বৈধ অনুমতি পত্র।
১৫২) প্রশ্নঃ অপেশাদার লাইসেন্স কী?
উত্তরঃ ব্যক্তিগত যান চালানোর লাইসেন্স।
১৫৩) প্রশ্ন : লাইসেন্সের সর্বনিম্ন বয়স?
উত্তরঃ ১৮ (অপেশাদার), ২০ (পেশাদার)।
১৫৪) প্রশ্ন : লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য কারা?
উত্তরঃ রাতকানা বা হৃদরোগী ব্যক্তি।
১৫৫) প্রশ্ন : হালকা মোটরযান ওজন কত?
উত্তরঃ ২৭২৭ কেজির নিচে।
১৫৬) প্রশ্ন : মাঝারি মোটরযান ওজন কত?
উত্তরঃ ৬৫৯০ কেজির নিচে।
১৫৭) প্রশ্ন : ভারী মোটরযান ওজন কত?
উত্তরঃ ৬৫৯০ কেজির উপরে।
১৫৮) প্রশ্ন: প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান কী?
উত্তরঃ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয় এমন বড় যান।
১৫৯) প্র্রশ্নঃ ট্রাফিক সাইন কত প্রকার?
উত্তরঃ ৩ প্রকার।
১৬০) প্রশ্ন : লাল বৃত্তাকার সাইন মানে কী?
উত্তরঃ নিষেধ।
১৬১) প্রশ্ন : নীল বৃত্তাকার সাইন মানে কী?
উত্তরঃ পালনীয়।
১৬২) প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজাকার সাইন মানে কী?
উত্তরঃ সতর্কতা।
১৬৩) প্রশ্ন : নীল আয়তক্ষেত্র কী?
উত্তরঃ তথ্যমূলক।
১৬৪) প্রশ্ন : সবুজ আয়তক্ষেত্র কী?
উত্তরঃ মহাসড়কের দিক নির্দেশনা।
১৬৫) প্রশ্ন : কালো বর্ডার সাদা আয়তক্ষেত্র কী?
উত্তরঃ পথনির্দেশক।
১৬৬) প্রশ্ন : ট্রাফিক সিগন্যাল কত প্রকার?
উত্তরঃ ৩ প্রকার।
১৬৭) প্রশ্ন : ট্রাফিক লাইট অনুক্রম কী?
উত্তরঃ লাল-সবুজ-হলুদ।
১৬৮) প্রশ্ন : ট্রাফিক বাতির অর্থ কী?
উত্তরঃ থামা, চলা ও প্রস্তুতি নেওয়া।
১৬৯) প্রশ্নঃ নিরাপদ দূরত্ব কী?
উত্তরঃ সংঘর্ষ এড়াতে বজায় রাখা ফাঁকা জায়গা।
১৭০) প্রশ্ন : পাহাড়ি রাস্তায় কোন গিয়ার?
উত্তরঃ ফার্স্ট গিয়ার।
১৭১) প্রশ্ন : ৫০ মাইল গতিতে দূরত্ব কত?
উত্তরঃ ৫০ গজ।
১৭২) প্রশ্ন : লাল বৃত্তে ৫০ মানে কী?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ গতি ৫০ কিমি।
১৭৩) প্রশ্ন : নীল বৃত্তে ৫০ মানে কী?
উত্তরঃ সর্বনিম্ন গতি ৫০ কিমি।
১৭৪) প্রশ্ন : লাল বৃত্তে হর্ন মানে কী?
উত্তরঃ হর্ন নিষেধ।
১৭৫) প্রশ্ন : লাল বৃত্তে বাসের ছবি মানে কী?
উত্তরঃ বাস নিষেধ।
১৭৬) প্রশ্ন : লাল বৃত্তে মানুষের ছবি কী?
উত্তরঃ পথচারী নিষেধ।
১৭৭) প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজে মানুষের ছবি কী?
উত্তরঃ পথচারী পারাপার, সাবধান।
১৭৮) প্রশ্ন : লাল বৃত্তে দুই গাড়ীর ছবি কী?
উত্তরঃ ওভারটেকিং নিষেধ।
১৭৯) প্রশ্ন : আয়তক্ষেত্রে ‘P’ কী?
উত্তরঃ পার্কিং স্থান।
১৮০) প্রশ্ন : হর্ন বাজানো নিষেধ কোথায়?
উত্তরঃ সাইলেন্ট জোন বা নীরব এলাকায়।
১৮১) প্রশ্ন : ওভারটেক করা নিষেধ কোথায়?
উত্তরঃ জাংশন বা ব্রিজে।
১৮২) প্রশ্ন : পার্কিং নিষেধ কোথায়?
উত্তরঃ সরু রাস্তা বা বাস স্টপেজে।
১৮৩) প্রশ্ন : গাড়ী কোনপাশ দিয়ে চলবে?
উত্তরঃ বামপাশ।
১৮৪) প্রশ্ন : বাম দিয়ে ওভারটেক কখন?
উত্তরঃ সামনের গাড়ী ডানে মোড় নিলে।
১৮৫) প্রশ্ন : চলন্ত অবস্থায় লক্ষ্য কী?
উত্তরঃ সামনের গাড়ীর গতিবিধি।
১৮৬) প্রশ্ন : স্কুল সাইন থাকলে করণীয়?
উত্তরঃ গতি কমানো।
১৮৭) প্রশ্ন : গতি কমানোর হাত সংকেত?
উত্তরঃ হাত জানালা দিয়ে উঠানামা করা।
১৮৮) প্রশ্ন : রেলক্রসিং কত প্রকার?
উত্তরঃ ২ প্রকার।
১৮৯) প্রশ্নঃ রক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে কর্তব্য?
উত্তরঃ ডানেবামে দেখে চলা।
১৯০) প্রশ্নঃ অরক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে কর্তব্য?
উত্তরঃ থামানো ও দেখা।
১৯১) প্রশ্ন: বিমানবন্দরের কাছে কেন সাবধান?
উত্তরঃ বিমানের বিকট শব্দে চালক বিচলিত হতে পারেন।
১৯২) প্রশ্নঃ হেলমেট কেন পরিধান করবেন?
উত্তরঃ মাথা রক্ষার জন্য।
১৯৩) প্রশ্ন: লুকিং গ্লাস দেখার হার?
উত্তরঃ মিনিটে ৬-৮ বার।
১৯৪) প্রশ্নঃ পাহাড়ি রাস্তায় সতর্কতা?
উত্তরঃ লো গিয়ারে চলা।
১৯৫) প্রশ্নঃ বৃষ্টির মধ্যে সতর্কতা?
উত্তরঃ গতি অর্ধেক করা।
১৯৬) প্রশ্ন : ব্রিজে ওঠার পূর্বে করণীয়?
উত্তরঃ গতি কমানো।
১৯৭) প্রশ্ন : প্রধান রাস্তায় ঢোকার আগে সতর্কতা?
উত্তরঃ প্রধান রাস্তার গাড়ীকে সাইড দেওয়া।
১৯৮) প্রশ্ন : রোডমার্কিং কত প্রকার?
উত্তরঃ ৩ প্রকার।
১৯৯) প্রশ্ন : জেব্রাক্রসিংয়ে চালকের দায়িত্ব?
উত্তরঃ পথচারীদের জায়গা দেওয়া।
২০০) প্রশ্ন : কাদের ওভারটেক করতে দিবেন?
উত্তরঃ এ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসকে।

আমার শেষ কথা

সোহাগ ভাই, এই ২০০টি প্রশ্ন ও উত্তর ভালো করে আয়ত্ত করতে পারলে ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষায় পাশ করা অনেক সহজ হয়ে যাবে। নিজের সুরক্ষায় এবং সড়কের নিরাপত্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা আমাদের সবার দায়িত্ব। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনার পাঠকদের উপকারে আসবে।

বিআরটিএ ও লাইসেন্স সংক্রান্ত আরও তথ্যের জন্য নিয়মিত চোখ রাখুন TechSohag.Com-এ। কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান। ধন্যবাদ!
Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.
Md Sohag Rana এখন অনলাইনে আছে...
আসসালামু আলাইকুম, আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি?
Type here...